
ঘুমানো যায় না
এত এত বিচ্ছিন্ন আবেগের ইতিহাস— ভূগোল নিয়ে
উপড়ানো বিবেকের শিকড়বাকড়, খড়ের পালার মতো
একরোখা ঠায় দাঁড়িয়ে, যেন ঠাটা পড়া তালগাছ,
আশপাশে বেখাপ্পা যতিচিহ্ন, অসুস্থ জমাট স্টেশন
বেশিক্ষণ বোঝাপড়া যায় না করা, এইসব অগোছাল
নির্ঘুম বাহানা বাহাস, দিকভ্রান্ত কিছু অর্থহীন যন্ত্রণা,
কীভাবে ঘুমানো যায় দূষিত পৃথিবীর হাজারো জঞ্জাল নিয়ে।
সময়ের এইসব বেখেয়ালি রাহাজানি, কুটিল অবসাদ
যেন যথাইচ্ছা ছাড় পাওয়া রাখালের গবাদি পশু
সময় অসময়ে কখন কীভাবে যেন হামলে পড়ে।
যায় না এদের সাথে বেশিক্ষণ বসবাস করা।
এর চেয়ে অবুঝ পাহাড়ের শিশুতোষ চাহনি বুঝে
যাবতীয় ধুমধাম ছুড়ে ফেলে, পথের শিকড় গতি চিনে নিয়ে
ফিরে যাই অরণ্য নিবাসে। আগাছা বা অবহেলে পড়ে থাকা
বিশল্যকরণী, কিছু শিকড় নির্যাস— তারপর ঘুম, মহাঘুম
স্টেশনের যাবতীয় চতুর কোলাহল কখন যে সমূলে উধাও।