অনুপ্রাণন, শিল্প-সাহিত্যের অন্তর্জাল এ আপনাকে স্বাগতম!
এপ্রিল ৩, ২০২৫
২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
এপ্রিল ৩, ২০২৫
২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আশরাফ পিন্টু -
তরুণ লেখক প্রকল্প : আমার লেখকজীবনের পথনির্দেশক

১৯৯৬ সালের অক্টোবর মাস। তখন আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ (বাংলা) শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থী। পাবনা থেকে বন্ধু ইসলাম ফেরদৌসের একটি চিঠি পেলাম। হলুদ রঙের লম্বা সাইজের খামটি খুলতে চিঠির সঙ্গে একটি ফরম বেরিয়ে এল। (যা বাংলা একাডেমির তরুণ লেখক প্রকল্পের আবেদন ফরম)। সময় খুব কম। তাড়াতাড়ি ফরমটি পূরণ করে ডাকে পাঠালাম। মাসখানেক পর ইন্টারভিউ কার্ড এল। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষা (তারিখটি মনে নেই)। একই সময়ে আমার এমএ পরীক্ষারও একটি পত্রের পরীক্ষা ছিল। কাজেই তরুণ লেখক প্রকল্পের ইন্টারভিউ দেওয়া আর হলো না। খুবই মনোবেদনা নিয়ে এমএ পরীক্ষা শেষ করে বাড়িতে (পাবনা) চলে এলাম। ইতিপূর্বে পাবনার দুই লেখক বন্ধু (ইসলাম ফেরদৌস ও মির্জা তাহের জামিল) তরুণ লেখক প্রকল্পের প্রথম ও তৃতীয় ব্যাচে ছিল। আমি যেটায় আবেদন করেছিলাম সেটাই শেষ (চতুর্থ ব্যাচ)। স্কুল জীবন থেকেই লেখালেখি করি। স্বপ্ন ছিল লেখক হওয়ার। কিন্তু তা আর হলো না! একরাশ হতাশায় নিমজ্জিত হলাম আমি।

কিছুদিন পর হঠাৎ করেই ঢাকা থেকে ছোট দুলাভাই নজরুল ইসলামের একটি চিঠি পেলাম। তিনি বিআরটিসি-তে চাকরি করতেন। তার বাসা ছিল কল্যাণপুরের দক্ষিণ পীরেরবাগে। বাসার কাছেই আনিসুর রহমান নামে তার এক বন্ধুর বাসা ছিল। তিনি বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ছিলেন। তিনি দুলাভাইকে জানিয়েছেন— অনিবার্য কারণবশত বাংলা একাডেমির তরুণ লেখক প্রকল্পের স্থগিতকৃত ভর্তি পরীক্ষাটি জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে (তারিখটি মনে নেই) হবে। আপনার শ্যালক তো দরখাস্ত করেছিল, ওকে জানাবেন।

চিঠি পাওয়ার পর দেখি হাতে মাত্র দু’দিন সময় আছে। আমি পরদিনই ঢাকায় বোনের বাসায় চলে গেলাম এবং তার পরের দিন ভর্তি (বাছাই) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলাম। অনেক প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে আমরা ৪০ জন লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় নির্বাচিত হলাম। উল্লেখ্য, আমাদের ভাইভাবোর্ডে ছিলেন কবি রফিক আজাদ, কথাসাহিত্যিক রশীদ হায়দার প্রমুখ প্রখ্যাত লেখক। আমার প্রায় হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নপূরণ হওয়ায় আমি মনে মনে বিধাতাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলাম।

জানুয়ারিতে আমাদের প্রশিক্ষণ ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর কারণে ক্লাস শুরু হলো ফেব্রয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে। আমাদের প্রশিক্ষণকালীন মেয়াদ ছিল ৬ মাস (জানুয়ারি-জুন ’৯৭) কিন্তু আমরা সময় পেয়েছিলাম ৫ মাস। এই ৫ মাসে প্রশিক্ষণ ক্লাস নিয়েছেন দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা সব কবি-সাহিত্যিক। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন : কবি শামসুর রাহমান (তৎকালীন বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান), ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (তৎকালীন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক), কবি আসাদ চৌধুরী (প্রকল্প পরিচালক), কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা (পরবর্তীকালে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক)। আমার জানা মতে, প্রকল্পটি ছিল তারই মস্তিষ্কজাত। তিনিই লেখক সৃষ্টির এই মহত্তম উদ্যোগটি বাস্তবায়িত করেছিলেন। এছাড়া অন্যান্য যারা ক্লাস নিয়েছেন তারা হলেন : কবি রফিক আজাদ, কবি সৈয়দ শামসুল হক, নাট্যকার মমতাজউদ্দীন আহমদ, নাট্যকার সেলিম আল দীন, নাট্যকার রাজীব হুমায়ুন, ফোকলোরবিদ ওয়াকিল আহমদ প্রমুখ।

এছাড়া কয়েকজন বিদেশি কবি-সাহিত্যিকও অতিথি হিসেবে আমাদের প্রশিক্ষণ ক্লাস নিয়েছেন। তারা হলেন : বিখ্যাত পোলিশ সাহিত্যিক এলিজাবেথ ওয়াল্টার। তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পিএইচডি ডিগ্রিধারী। তিনি বাঙালিদের মতোই সুন্দর বাংলা বাচনভঙ্গিতে ক্লাস নিয়েছিলেন। ভিজিটর ক্লাস নিয়েছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত পবিত্র সরকার ও আসাম থেকে আগত এলাংবম নীলকান্তসিংহ।

C:\Users\USER\Pictures\Camera Roll\IMG_20231211_204214.jpg

কবি শামসুর রাহমানের বাসায় আমি ও তরুণ লেখক বন্ধু বাবু ও শাকিল

এতজন কবি-সাহিত্যিকের মধ্যে শুধু একজনের একটি ক্লাসের রোমান্টিক কথার উল্লেখ না করে পারছি না। তিনি হলেন কবি ও কথা সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। সৈয়দ হক বাংলা একাডেমির সেমিনার রুমে ক্লাস নিচ্ছিলেন। তিনি তরুণদের উৎসাহিত করার জন্যই বুঝি ক্লাসের মধ্যে তার তরুণ বয়সের একটি স্মৃতিচারণ করলেন :

শৈশবে খুব দুষ্ট ছিলাম আমি। আমার এক বন্ধু ছিল। সে মাদ্রাসায় পড়ত। মুয়াজ্জিনের অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে মসজিদে আজানও দিত। মাদ্রাসার ছেলেরা সাধারণত দুষ্টু হয়। কিন্তু দুষ্টুমিতে ওর চেয়ে কয়েক ধাপ বেশি ছিলাম আমি। দুজনেই সারাদিন টো-টো করে ঘুরে বেড়াতাম। গাছের ডালে বসে আম খেতাম, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পুকুরে মাছ ধরতাম। এভাবে কাটত আমাদের দিন। আস্তে আস্তে কৈশোরে পদার্পণ করলাম। আরও একজন সঙ্গী হলো। চঞ্চল চটপটে স্বভাবের একটি মেয়ে। ভারী দুষ্টু। খুব জ্বালাত মেয়েটি আমাকে। ওর সাথে সহজে আমরা কেউ পেরে উঠতাম না। হঠাৎ ও একদিন আমাকে বলল, “তুই যদি আমাকে একটি কবিতা লিখে দিতে পারিস তবে পুরস্কারস্বরূপ আমার কাছে থেকে একটি ‘চুমু’ পাবি।”

চুমুর বিনিময়ে কবিতা! কবিতার পুরস্কার চুমু! লাখ টাকা দিলেও আমি এতটা উৎসাহ পেতাম কিনা কে জানে? আমি ওর প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেলাম। সৈয়দ হক একটু থেমে বললেন, প্রথম কবিতার সম্মানী পেয়েছিলাম ওই চুমু। এর পর কত কবিতা লিখেছি কিন্তু কেউ আর এমন প্রস্তাব দেয়নি।

সৈয়দ শামসুল হকের কথায় ক্লাসের সবাই এক সঙ্গে হাসিতে ফেটে পড়ল।

C:\Users\USER\Pictures\Camera Roll\414850122_2729199380551174_8529350368559868695_n.jpg

কবি সৈয়দ শামসুল হকের ক্লাস শেষে বাংলা একাডেমির সেমিনার রুমে তার ডানপাশে আমি ও তরুণ লেখক বন্ধু মাসুদার রহমান, রোকসানা আফরীন, বামপাশে আনজীর লিটন ও ফয়জুল্লাহ সাঈদ

ওই সময়ে ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে এবং ক্লাস শেষে অনেক কবি-সাহিত্যিকদের বাসায় আমি গিয়েছি। এ ব্যাপারে আমাকে সহযোগিতা করেছে আমার ব্যাচের তরুণ লেখক বন্ধু নাট্যাভিনেতা লুৎফুল আহসান বাবু। ওর মোটরবাইকে করে বাসায় গিয়ে বিখ্যাত সব কবি-সাহিত্যিকের বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। এরকম ২৫ জন কবি-সাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার নিয়ে তাদের ছবিসহ ‘অন্যরকম গল্প’ নামে ৪ ফর্মার একটি বইও বের করেছিলাম। উল্লিখিত কবি-সাহিত্যিক ছাড়াও এই বইতে যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম তারা হলেন : কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ, কবি আল মাহমুদ, কবি সৈয়দ আলী আহসান, কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান, রশীদ হায়দার, কবি আবদুল মান্নান সৈয়দ, বিজ্ঞানী আব্দুল্লাহ আল-মুতী, লোকবিজ্ঞানী আশরাফ সিদ্দিকী, কবি নির্মলেন্দু গুণ, শিশুসাহিত্যিক রোকনুজ্জামান খান (দাদাভাই), সুকুমার বড়ুয়া, কথাসাহিত্যিক শওকত আলী, হায়াৎ মামুদ, কবীর চৌধুরী, মুস্তফা নূর-উল-ইসলাম প্রমুখ। এদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা আমার লেখকজীবনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে।

বর্তমানে আমার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। অনেকেই আমাকে গবেষক হিসেবে চেনে, কেউ কেউ আবার অণুগল্পকার ও সায়েন্সফিকশনার হিসেবেও জানে। তবে আমি প্রথম জীবনে ছড়া ও কবিতা লিখতাম। তরুণ লেখক প্রকল্প থেকে আমার প্রকাশিত (জুন ১৯৯৭) বইয়ের নাম ‘হিগিন বিগিন’। এটি একটি শিশুতোষ ছড়ার বই। এখন পর্যন্ত ওটিই আমার প্রথম ও একমাত্র ছড়াগ্রন্থ। আমার ছড়াগ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন কবি আসাদ চৌধুরী। তিনি খুব আন্তরিক ও মিশুক মানুষ ছিলেন। তিনি বর্তমানে ইহজগতে নেই। আমি তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।

 

C:\Users\USER\Pictures\Camera Roll\IMG_20231211_204312.jpg

কবি আসাদ চৌধুরীর সাথে আমি ও ছড়াকার ফয়জুল্লাহ সাঈদ

তরুণ লেখক প্রকল্পে এসে আমি দুজন স্কুল জীবনের লেখক এবং পত্রবন্ধুকে পেলাম। এরা হলো— কুষ্টিয়ার আতিক হেলাল ও জয়পুরহাটের মাসুদার রহমান। মাসুদ আমার ব্যাচেই ছিল, আর আতিক ছিল প্রথম ব্যাচে। তবে ও মাঝে-মধ্যে বাংলা একাডেমিতে এসে আমাদের সঙ্গে আড্ডা দিত। এ দুজন বন্ধু স্কুলজীবন থেকেই খুলনা থেবে প্রকাশিত শিশু-কিশোর মাসিক ‘সপ্তডিঙা’য় ছড়া লিখত। আমিও ওই পত্রিকায় ছড়া লিখতাম এবং ওই পত্রিকাতেই আমার লেখকজীবনের হাতেখড়ি। সপ্তডিঙায় লেখালেখির সুবাদেই আতিকের সাথে আমার পত্রমিতালি হয়ে গেল। ও কিশোর বয়সেই খুব সুন্দর ভাষায় চিঠি লিখত আমাকে। আমিও উত্তর দিতাম। কিন্তু সামনে এসএসসি (১৯৮৬) পরীক্ষার কারণে আমি ওর কয়েকটি চিঠির জবাব দিতে পারিনি। ও হয়তো তা বুঝতে পেরেছিল। এসএসসি পরীক্ষার কয়েকদিন পর লম্বা সাইজের হলুদ খামে একটি চিঠি পেলাম। খামের ওপরে সবুজ কালির সিলমোহরকৃত রবীন্দ্রনাথের একটি উক্তি ছিল— ‘চিঠিও এক প্রকার সুখ’। যা হোক, খামটি খুলে চিঠিটি পড়তে লাগলাম—

পিন্টু, তুমি কেমন আছো

পরীক্ষা তো শেষ,

জানি তুমি সব পেপারেই

করছো ভালো বেশ।

পত্র দিলাম বন্ধু তুমি

উত্তর দিও ঠিক,

ধন্যবাদান্তে টানছি

ইতি— তোমার আতিক।

ছড়ার মাধ্যমে চিঠি! আমার মনের মাঝে দাগ কেটে আছে ছড়া-পত্রটি; হয়তো আতিকেরই তা মনে নেই। আতিক হেলাল যে একজন জাত ছড়াকার তা বাল্যকালের এ ছড়া-পত্রটিই প্রমাণ দিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে আরেকজন ছড়াকারের কথা মনে পড়ছে। তিনি সম্ভবত তৃতীয় ব্যাচে ছিলেন। পত্র-পত্রিকা ও যৌথ গ্রন্থের মাধ্যমে তার ছড়া ও নামের সঙ্গে আমি পরিচিত ছিলাম। তিনি তপন বাগচী। একই পত্রিকা ও যৌথগ্রন্থে আমার ও তার ছড়া প্রকাশিত হয়েছিল। বাংলা একাডেমির তরুণ লেখক প্রকল্পে এসে তার সঙ্গে সরাসরি দেখা ও পরিচিয় হলো। বর্তমানে তিনি বাংলা একাডেমিতেই চাকরিরত। একজন ছড়াকার, গীতিকার ও গবেষকও বটে।

আমাদের পাবনার ৫ জন তরুণ লেখক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছিল। তার মধ্যে ইসলাম ফেরদৌস ও মজিদ মাহমুদ ছিল প্রথম ব্যাচে, মির্জা তাহের জামিল ছিল তৃতীয় ব্যাচে এবং আমি ও জহির বিশ্বাস ছিলাম চতুর্থ ব্যাচে। জহির আর আমি একই সঙ্গে পাবনা জেলা স্কুলে পড়েছি (অর্থাৎ ও আমার ক্লাসমেট)। ইসলাম ফেরদৌস ও মির্জা তাহের জামিল আমার ইয়ারমেট ছিল। ছোটদের পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে এ দুজনের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে কিশোরাবেলার থেকেই। মির্জা তাহের জামিল গত বছর মৃত্যুবরণ করেছে। আর মজিদ মাহমুদ ছিল আমার কয়েক বছরের সিনিয়র।

C:\Users\USER\Pictures\Camera Roll\403421838_383817147546703_7737334095436388798_n.jpg

ক্লাসের ফাঁকে বসে আমি আশরাফ পিন্টু, লতিফুল ইসলাম শিবলী, (আমাকে ধরে) জহির বিশ্বাস, তার পাশে শামীম সিদ্দিকী ও টোকন ঠাকুর

তরুণ লেখকদের মধ্যে যাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল এবং ফেসবুকের মাধ্যমে এখনো যোগাযোগ আছে, তারা হলো : লুৎফুল আহসান বাবু, জহির বিশ্বাস, পরাগ আরমান, মিয়া তোফায়েল, তফাজ্জল তফায়েল, শাকিল মামুদ, আলমগীর মোহাম্মদ রঞ্জু, আমিনুল রানা, আইরীন নিয়াজী মান্না প্রমুখ। এই তরুণ লেখকদের মধ্যে অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত কবি ও লেখক, কেউবা সাংবাদিক।

অনেকেই বলেন, লেখক সৃষ্টি করা যায় না— এ প্রতিভা হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত। কিন্তু আমি বলি, লেখক সৃষ্টি না করা গেলেও তরুণ লেখক প্রকল্প লেখকদের লেখার কলা-কৌশলের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, তাদের প্রথম বই প্রকাশ করে দিয়ে, মাসিক ৩ হাজার টাকা ভাতা দিয়ে যে উৎসাহ প্রদান করেছে তাতে অনেক তরুণ লেখক উৎসাহিত হয়েছে এবং বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তোবা ঝরে গিয়েছে কিংবা অকাল প্রয়াত হয়েছে। কেননা সব ফুলেই ফল হয় না— এটাই প্রকৃতির নিয়ম।

আমাদের মধ্যে অনেকেই ইহলোক ত্যাগ করেছে এবং আমরাও একদিন চলে যাব কিন্তু লেখকদের কর্ম থেকে যাবে।

 

Print Friendly, PDF & Email

Read Previous

শিল্প-সাহিত্যের অন্তর্জাল, অনুপ্রাণন : ৭ম সংখ্যা (মার্চ-২০২৫ : বিশেষ ঈদ সংখ্যা)

Read Next

রোকে ডালটন-এর দুটি কবিতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *