অনুপ্রাণন, শিল্প-সাহিত্যের অন্তর্জাল এ আপনাকে স্বাগতম!
জুন ২০, ২০২৬
৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জুন ২০, ২০২৬
৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আঞ্জুমান রোজী -
বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর অবস্থান ও মূল্যায়নের দ্বান্দ্বিকতা

বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর অবস্থান ও মূল্যায়নের দ্বান্দ্বিকতা

আঞ্জুমান রোজী



বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থিতি একদিকে অপরিহার্য, অন্যদিকে গভীরভাবে বিতর্কিত ও দ্বান্দ্বিক। নারী এখানে কখনো মমতার প্রতীক, কখনো প্রেমের অনুষঙ্গ, আবার কখনো নিপীড়িত, অবদমিত কিংবা প্রতিবাদী এক সত্তা। এই বহুমাত্রিক উপস্থাপনা কেবল নান্দনিকতার প্রশ্ন নয়; এটি ক্ষমতা, লিঙ্গ-রাজনীতি এবং সামাজিক কাঠামোর প্রতিফলন। ফলে নারীর অবস্থান ও মূল্যায়নকে একরৈখিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়, বরং তা দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে, যেখানে বিপরীত প্রবণতাগুলো একসাথে ক্রিয়াশীল থাকে। এই প্রবন্ধে নারীর এই দ্বান্দ্বিক অবস্থানকে ঐতিহাসিক, তাত্ত্বিক ও নান্দনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হবে।

তাত্ত্বিক কাঠামো: দ্বান্দ্বিকতা নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি
দ্বান্দ্বিকতা (Dialectics) মূলত একটি তাত্ত্বিক পদ্ধতি, যা বাস্তবতাকে বিরোধ, সংঘাত ও পরিবর্তনের ধারায় বোঝে। হেগেলীয় দর্শন থেকে মার্ক্সবাদ পর্যন্ত এই ধারণা বিকশিত হয়েছে—যেখানে প্রতিটি অবস্থার মধ্যে তার বিপরীত শক্তি বিদ্যমান থাকে এবং তাদের সংঘাত থেকেই নতুন বাস্তবতার জন্ম হয়। নারীর অবস্থান বিশ্লেষণে এই দ্বান্দ্বিক পদ্ধতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সমাজে নারী একইসাথে ক্ষমতার অধীন এবং প্রতিরোধের বাহক।
নারীবাদী তত্ত্ব এই বিশ্লেষণকে আরও গভীর করে। সিমোন দ্য বোভোয়ারের ভাষায়, “নারী জন্মগত নয়, বরং সমাজের নির্মাণ”, এই ধারণা আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর চিত্রায়ণ একটি সামাজিক নির্মাণ, যা পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতা দ্বারা প্রভাবিত। লরা মুলভির “male gaze” তত্ত্ব অনুযায়ী, চলচ্চিত্রে নারীকে প্রায়ই পুরুষের দৃষ্টির বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। ফলে নারীর মূল্যায়ন একটি দ্বৈত প্রক্রিয়ায় ঘটে, একদিকে সে দৃশ্যমান, অন্যদিকে তার নিজস্ব কণ্ঠস্বর অনুপস্থিত।

সাহিত্যে নারী: প্রতীকী রূপ থেকে প্রতিবাদী সত্তা
বাংলা সাহিত্যে নারীর উপস্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে পুরুষকেন্দ্রিক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর চোখের বালি উপন্যাসে বিনোদিনী চরিত্রটি একদিকে বুদ্ধিমতী ও আত্মসচেতন, অন্যদিকে সামাজিক নিয়মের শিকার। এখানে নারী স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও সামাজিক বদ্ধতার দ্বন্দ্ব স্পষ্ট।
একইভাবে কাজী নজরুল ইসলাম-এর কবিতায় নারী কখনো বিদ্রোহী, কখনো প্রেমময়। তার নারী কবিতায় তিনি নারীর শক্তি ও সাম্যের দাবি তুলে ধরেন, যা প্রচলিত ধারণার বিপরীতে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশি কথাসাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদ-এর শঙ্খনীল কারাগার উপন্যাসে নারী চরিত্রগুলো আবেগপ্রবণ হলেও সামাজিক কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ। অন্যদিকে সেলিনা হোসেন-এর হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসে নারী চরিত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাহসী ও ত্যাগী রূপে আবির্ভূত, যেখানে তিনি কেবল ভুক্তভোগী নন, বরং ইতিহাস নির্মাতা।
এখানে আমরা দেখি, নারী একদিকে আবেগ ও সম্পর্কের কেন্দ্র, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগ্রামের সক্রিয় অংশ। এই দ্বৈততাই দ্বান্দ্বিকতার মূল।

চলচ্চিত্রে নারী: বস্তু থেকে প্রতিরোধী চরিত্র
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থাপনাও একইভাবে দ্বান্দ্বিক। জহির রায়হান-এর জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রে নারী চরিত্র স্বৈরাচারী পারিবারিক কাঠামোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। এখানে গৃহস্থালির গল্প রাজনৈতিক রূপক হয়ে ওঠে, এবং নারী সেই প্রতিরোধের কেন্দ্র।
অন্যদিকে তানভীর মোকাম্মেল-এর মুক্তির গান বা মাটির ময়না (পরিচালক: তারেক মাসুদ) চলচ্চিত্রে নারী চরিত্রগুলো যুদ্ধ, ধর্ম ও সমাজের মধ্যে আটকে থাকা বাস্তব মানুষের প্রতিচ্ছবি।
সমকালীন চলচ্চিত্রে অমিতাভ রেজা চৌধুরী-এর আয়নাবাজি বা রেহানা মরিয়ম নূর (পরিচালক: আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ) চলচ্চিত্রে নারী চরিত্র আরও জটিল ও আত্মনির্ভর। বিশেষ করে রেহানা মরিয়ম নূর-এ নারী চরিত্র একাধারে দৃঢ়, নৈতিক দ্বন্দ্বে আক্রান্ত এবং সামাজিক চাপের বিরুদ্ধে সংগ্রামী।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রতীকী নারী থেকে বাস্তব নারী
বাংলা সাহিত্য ও শিল্পের ইতিহাসে নারী দীর্ঘদিন ধরে প্রতীকী রূপে উপস্থিত ছিল। মধ্যযুগীয় সাহিত্যে নারী ছিল ভক্তি, প্রেম বা পৌরাণিকতার অংশ, যেখানে তার ব্যক্তিসত্তা অনুপস্থিত। ঊনবিংশ ও বিংশ শতকে আধুনিকতার প্রভাবে নারীর চরিত্র কিছুটা মানবিক ও বাস্তবধর্মী হয়ে ওঠে, তবে তা এখনও পুরুষকেন্দ্রিক বয়ানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রেও প্রাথমিক পর্যায়ে নারী চরিত্রগুলোকে প্রধানত ত্যাগী, সহনশীল ও নির্ভরশীল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কিছু চলচ্চিত্রে নারীর সংগ্রাম ও সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরা হলেও, মূলধারায় আদর্শায়িত নারী চরিত্রই প্রাধান্য পায়। ফলে ঐতিহাসিকভাবে নারী একদিকে প্রতীকী ও পূজিত, অন্যদিকে বাস্তবতায় প্রান্তিক; ফলে এই দ্বান্দ্বিক অবস্থান গড়ে ওঠে।

আদর্শায়ন বনাম বাস্তবতা: নান্দনিকতার দ্বৈততা
বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বান্দ্বিকতা হলো আদর্শায়ন ও বাস্তবতার সংঘাত। নারীকে প্রায়ই মা, দেবী বা প্রেমিকারূপে একধরনের পবিত্র ও নিখুঁত সত্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই আদর্শায়ন নারীর মর্যাদা বাড়ালেও, তার বাস্তব জীবনের সংগ্রাম, আকাঙ্ক্ষা ও সীমাবদ্ধতাকে আড়াল করে।
অন্যদিকে, কিছু সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নারীর বাস্তব চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, যেখানে নারী সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক সংকট ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের মুখোমুখি। কিন্তু এই বাস্তবচিত্র অনেক সময় প্রান্তিক হয়ে পড়ে এবং মূলধারার দর্শকের কাছে ততটা গ্রহণযোগ্য হয় না। ফলে আদর্শ ও বাস্তবের এই টানাপোড়েন নারীর মূল্যায়নে একটি জটিল দ্বান্দ্বিকতা তৈরি করে।
চোখের বালি বা অনেক মূলধারার চলচ্চিত্রে নারীকে আদর্শিক বা আবেগপ্রবণ সত্তা হিসেবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু রেহানা মরিয়ম নূর বা হাঙর নদী গ্রেনেড-এ আমরা দেখি বাস্তব, জটিল ও দ্বন্দ্বপূর্ণ নারী—যিনি নিখুঁত নন, বরং মানবিক।
এই দুই ধরনের উপস্থাপনার মধ্যে সংঘাতই নারীর মূল্যায়নের দ্বান্দ্বিকতা তৈরি করে। আদর্শায়ন নারীর মর্যাদা বাড়ালেও, বাস্তবতা তার সংগ্রামকে দৃশ্যমান করে।

নিপীড়ন বনাম প্রতিরোধ: চরিত্রের রূপান্তর
নারীর উপস্থাপনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বান্দ্বিকতা হলো নিপীড়ন ও প্রতিরোধের সম্পর্ক। বহু সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীকে নির্যাতনের শিকার হিসেবে দেখানো হয়েছে—যেখানে তিনি পারিবারিক সহিংসতা, সামাজিক অবিচার বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মুখোমুখি। এই চিত্রায়ণ বাস্তবতার প্রতিফলন হলেও, অনেক সময় এটি নারীর অসহায়ত্বকে স্থায়ী করে তোলে।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর দ্বৈত অবস্থান বিশেষভাবে স্পষ্ট। হাঙর নদী গ্রেনেড-এ নারী চরিত্র একদিকে মা, অন্যদিকে যোদ্ধার সমান সাহসী। মাটির ময়না-তেও নারী ধর্মীয় ও সামাজিক চাপে আবদ্ধ, কিন্তু তার ভেতরে প্রশ্ন ও প্রতিরোধের বীজ রয়েছে। এখানে নারী নিছক ভুক্তভোগী নয়; বরং ইতিহাসের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। এই দ্বৈততা—নিপীড়ন ও প্রতিরোধ—দ্বান্দ্বিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
তবে সমকালীন সময়ে নারীর চরিত্রে একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এখন নারী কেবল ভুক্তভোগী নয়, বরং প্রতিরোধী ও সক্রিয়। তিনি প্রতিবাদ করেন, নিজের অধিকার দাবি করেন এবং সামাজিক পরিবর্তনের অংশ হয়ে ওঠেন। এই রূপান্তর নারীর অবস্থানের দ্বান্দ্বিকতাকে আরও তীব্র করে—কারণ একইসাথে পুরনো ও নতুন দুই ধরনের চিত্রই বিদ্যমান।
নারীর উপস্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। “male gaze” ধারণা অনুযায়ী, নারীকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে তিনি পুরুষ দর্শকের জন্য আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন। এতে নারীর শরীর ও সৌন্দর্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, কিন্তু তার চিন্তা, অভিজ্ঞতা ও স্বাতন্ত্র্য উপেক্ষিত থাকে।
এই দৃষ্টিভঙ্গি নারীর মূল্যায়নে একটি দ্বৈততা তৈরি করে। একদিকে নারী দৃশ্যমান ও গুরুত্বপূর্ণ; অন্যদিকে তিনি নিজের কণ্ঠস্বর হারিয়ে ফেলেন। যদিও বর্তমানে নারী নির্মাতা ও লেখকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতির কিছু পরিবর্তন ঘটছে, তবুও পুরুষতান্ত্রিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে যায়নি।

বাণিজ্যিকতা বনাম সৃজনশীলতা: পণ্যায়িত নারী
চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে নারীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বান্দ্বিকতা হলো বাণিজ্যিকতা ও সৃজনশীলতার সংঘাত। অনেক ক্ষেত্রে নারীকে দর্শক আকর্ষণের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়—যেখানে তার শরীর ও সৌন্দর্যকে পণ্যায়িত করা হয়। এই প্রবণতা নারীর মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং তাকে একটি ভোগ্য বস্তুতে পরিণত করে।
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে নারীকে প্রায়ই সৌন্দর্যের প্রতীক বা “আইটেম” হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এখানে তার ভূমিকা সীমিত এবং পণ্যায়িত। যদিও  বিকল্প ধারার কিছু চলচ্চিত্রে নারীকে গভীর ও মানবিক চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
আয়নাবাজি বা রেহানা মরিয়ম নূর এই পরিবর্তনের উদাহরণ, যেখানে নারী কেবল গল্পের অংশ নয়, বরং গল্পের চালিকাশক্তি। এই দুই ধারার সংঘাতই নারীর মূল্যায়নের দ্বান্দ্বিকতা তৈরি করে।
অন্যদিকে, কিছু নির্মাতা ও সাহিত্যিক নারীকে গভীর, জটিল ও মানবিক চরিত্র হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। তারা নারীর অভ্যন্তরীণ জগৎ, মানসিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক সংগ্রামকে গুরুত্ব দেন। এই দুই প্রবণতার সংঘাতই নারীর মূল্যায়নে দ্বান্দ্বিকতা সৃষ্টি করে।

সমকালীন পরিবর্তন: নতুন নারীর আবির্ভাব
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। নারী এখন শুধু গৃহস্থালির সীমায় আবদ্ধ নয়; তিনি কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়, শিক্ষিত এবং সচেতন। এই পরিবর্তনের প্রভাব শিল্প ও চলচ্চিত্রেও প্রতিফলিত হচ্ছে।
নতুন প্রজন্মের লেখক ও নির্মাতারা নারীর স্বতন্ত্র সত্তা, স্বাধীনতা ও সংগ্রামকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে নারীর চরিত্র আরও বহুমাত্রিক ও বাস্তবসম্মত হয়ে উঠছে। তবে এই পরিবর্তন এখনও সম্পূর্ণ নয়—পুরনো ধ্যানধারণা ও নতুন চিন্তার মধ্যে একটি টানাপোড়েন বিদ্যমান, যা দ্বান্দ্বিকতার ধারাকে অব্যাহত রাখে।

পরিশেষে
বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর অবস্থান ও মূল্যায়ন একটি জটিল দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার ফল। এখানে নারী একইসাথে আদর্শায়িত ও অবদমিত, দৃশ্যমান ও নীরব, শক্তিশালী ও দুর্বল। এই দ্বৈততা সমাজের গভীর কাঠামোগত বৈষম্যের প্রতিফলন।
ভবিষ্যতে নারীর ন্যায্য ও বাস্তবসম্মত উপস্থাপনার জন্য প্রয়োজন তার নিজস্ব কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া, পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং সৃজনশীল স্বাধীনতাকে উৎসাহিত করা। তবেই শিল্পসাহিত্য ও চলচ্চিত্রে নারীর মূল্যায়ন হবে আরও মানবিক, সমতাভিত্তিক এবং মুক্ত।

Read Previous

‘নাটক আত্মপরিচয় ও সমাজচেতনার ভাষা’

Read Next

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র : ১৯৭১-২০২৫

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *