অনুপ্রাণন, শিল্প-সাহিত্যের অন্তর্জাল এ আপনাকে স্বাগতম!
জুন ১৪, ২০২৪
৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
জুন ১৪, ২০২৪
৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাশিদুল ইসলাম  -
আমিন স্যার অথবা কালের দায়

পাড়ার চেংকু রোগা পাতলা পাটিগণিত অঙ্কের মতো শুষ্ক আমিন স্যার যেদিন মারা গেলেন হঠাৎ স্কুলপাড়ার কারও মনে কোনো প্রকার খেদ দেখা গেল না। তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোনো প্রকার ব্যঘাত ঘটল না। সবার ভাবটা এমন যে এই নিরস নিঃসঙ্গ প্রাণ মানুষটা মারা যাওয়ায় তারা মোটামুটি সন্তুষ্ট। দিনের আলো ফুটতেই আমিন স্যার জাগতেন। প্রত্যেহ নিয়ম করে ফুলের চারাগাছগুলোতে পানির ছিটায় সতেজতা আনতে চেষ্টা করতেন। খানিক বাদেই তার কাছে ছেলেদের দল আসত চোখ কচলাতে কচলাতে। ঢুলুঢুলু দেহে তারা যোগ-বিয়োগ চিবাত। আমিন স্যার পড়াতেন যেমন তেমন চিকন অথচ শক্ত কঠিন হাতে পিটিয়ে পড়া আদায় করতেন। ছেলেরা চেঁচাতে চাইত কিন্তু পারত না পাছে আরও দুই একটা পাথুরে চাপড় তাদের পিঠের দাঁড়া বাঁকিয়ে দেয়। প্রতিক্ষণ ছেলেরা আতঙ্কে থাকত। ভয়ে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যেত যখন পাঁচের ঘরের নামতা হতো না। সেই আমিন স্যার মারা গেলেন এবং ছেলেরা তা প্রথমেই সনাক্ত করে নিশ্চিত হলো। তারা নিয়ম করে ভয়ের আবহ বুকে পুরে আজকেও গিয়েছিল সকালে। গিয়ে যখন দেখতে পেল উঠানের যেখানটায় যে গোলাপ গাছে সদ্য একটা গোলাপের ভ্রূণ বিকশিত হয়ে আকাশ দেখছে সেখানেই উপুড় হয়ে শুয়ে আছেন আমিন স্যার। ছেলেরা থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকল কিছুক্ষণ। তারপর সাহান বলল, মইরি গ্যাছে রে। চলেক মানষেক ড্যাকি আনি।

ততক্ষণে তাদের মনে হিল্লোল ওঠে। আজকে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমিন স্যার। ছেলেদের মধ্যে কেউ কেউ আসেইনি সেই ভয়ে। যারা এসেছে তাদের ফুসফুসেও ভয় জমেছিল বিষম। তবে এখন তা ছিদ্র বেলুনের মতো চুপসে কোথায় মিলিয়ে গেল ওরা জানে না। ওরা যা তৎক্ষণাৎ জানলো তা বলে দিল মুনির— বাঁইচল্যাম রে ভাই। আজকি শিওর মাইর খাতাম।

সে যেন বলেই বারকয়েক উঠে আসা ঢোক আবার পেটে চালান করল। আমিন স্যারের মৃত্যুর খবর ছেলেদের দরুন গ্রামবাসী পেল। কেউ কেউ গেল মেসওয়াক ঘষতে ঘষতে নিশ্চিত অনিচ্ছায়। কেউ কেউ শুনে কাঁথা চেপে পুনরায় ঘুমের আয়োজন করল। যারা অন্যের কাজে গিয়েছিল তারা আর ফেরার তাড়া দেখাল না।

আমিন স্যার মানুষ হিসেবে খারাপ এই কথা প্রসঙ্গে একটি যুক্তিও কেউ দেখাতে পারবে না। বহু বছর ধরেই এলাকার প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করে আসছেন। তবে তার মুখের ভাবটা ছিল চৈতের রোদের মতো খটখটে। কারও সাথে তেমন একটা কথা বলতেন না প্রয়োজনাধিক। স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে কেরানি পর্যন্ত তামাশায় মাততেন আড়ালে আবডালে। তিনি সংসার করেননি তবে বেতনের টাকা খুব কম ওড়াতেন। টাকাগুলো দিয়ে আসলে কী করতেন কোথায় রাখতেন তার হদিস কোথায় এ নিয়ে গ্রামে টকশো চলত বিস্তর। আমিন স্যার মাঝে মধ্যে দুই এক দিনের জন্য হাওয়া হতেন তখন টকশোজুড়ে খিস্তি জমত। জোয়ানরা বলত, ঠ্যাঙঠ্যাঙা মানুষ হইলে কী হবি স্যারের হুপ মরে নাই। কোনে যায় বুঝো না?

তখন কথায় কথায় হাজার কথা সাজায় স্তরে স্তরে— সেসব কথার প্রতিটি কাহিনী আমিন স্যারকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। কেউ আরেকটু আসর জমাতে বলে, ক্যারে বা— স্যারের সব কিছুই কি চিকন নাকি?

উত্তরে কেউ বলে— কিডা দেকলো রে বা। তুমার হুপ থাকে তে যাও গা।

আবার একচোট হাসি তাদের দাঁতের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে মিলিয়ে যায়। এমনিভাবে তাদের আসরে সমালোচনার তুঙ্গে ওঠে আমিন স্যার। আজ তিনি মারা গেলেন অথচ একটাও তার অনুগামী ছাত্র নাই যে দুই গালে ভর দিয়ে অপলক চেয়ে মৃত শরীর নিয়ে বসে থাকবে কিংবা পাড়ায় একটিও হৃদয়বান লোক নাই যে দুখের সুরে বলবে ‘আহারে’।

পাড়ার লোকেদের চোখের বালি হওয়ার একটি ঘটনা প্রচলিত রয়েছে যে ঘটনায় আমিন স্যার এদের কাছে অপছন্দের মানুষ। আমিন স্যার কঠোর একজন শিক্ষক ছিলেন গোড়ার দিকে। পাড়ার অনেকে জানত নতুনের বাহাদুরি একটু বেশিই থাকে পরে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আমিন স্যার যে অন্য ধাতুর তৈরি তা তারা জানল ওই ঘটনার পর। বদর পাগলার ছেলে পড়ত তখন। শ্রেনি অনুযায়ী তার বয়সটা ছিল সকলের চেয়ে বেশি কিন্তু বুদ্ধির কারবারিতে ষোলো আনা ফাঁকি ছিল। ওর সাথের ছেলেরা যখন ওর পাশের আসন খালি করে টপকে যেতে থাকল তখন বদর পাগলার ছেলে সেই আসনের মায়া ছাড়তে পারল না কিংবা আমিন স্যার তা ঘটতে দিল না। তিনি সেবারও বদর পাগলার ছেলেকে ফেইল করালেন এবং বুড়ো ধাম, গাধা গরু আরও সব খান্ডা খান্ডা অপমান লাল কালির অনুত্তীর্ণ রেজাল্টের সঙ্গে পকেটে পুরে দিলেন। সেদিন রাতেই বদর পাগলার ছেলে গলায় দড়ি দিয়ে মরল। যথারীতি আমিন স্যার বিষিয়ে উঠলেন পাড়ার লোকেদের মনে। তারা উঠে পড়ে লাগলেন যেন গ্রাম থেকে বিতাড়িত করা যায় কিন্তু উপযুক্ত যুক্তির পাঠ তারা নেয়নি কখনো। আমিন স্যারও তেমনি রয়ে গেলেন সবার মাঝে একা হয়ে। তবে কটুবাক্য যে পরিমাণ শুনেছেন তাতে বলতে হয় তার হজমশক্তি প্রখর। সবাই যে তাকে অপছন্দ করত তাও না। তার ছাত্রই বড় হয়ে যখন বুঝতে পারত স্যার কী পরিবর্তনটাই না এনেছিলেন যার ফলে তারা এই অবস্থানে তখন স্যারের প্রতি তাদের আবেগ তরল হয়। জোর গলায় স্যারের কীর্তন না করলেও মনে মনে ঠিকই দীর্ঘায়ু কামনা করে।

সেই আমিন স্যারের দীর্ঘায়ু জীবন ফুরিয়ে গেল আজ। তিনি মারা গেলেন একটি তৎপর কর্মব্যস্ত দিনে। তিনি মারা গেছেন বিধায় কেউ কেউ তার প্রতি জমানো রাগ, অজানা বিদ্বেষ ছুড়ে দিতে লাগলো স্মৃতি থেকে। এই প্রথম সবার মনে হলো গ্রাম থেকে একটি ছায়াঘন বটবৃক্ষ উপড়ে ভাগাড়ে পড়েছে। ছেলেরাও একে অপরকে আফসোস করে বলতে লাগল স্মৃতিমেদুর রাফখাতা।

—উই সুমবার আমাক মাইরলো লায়? আমি কাইনলাম সেই— পরে বিকালে স্যার আমাক চকলেট কিনি দিচিলো। তোক তো কইনি এই কতা। আইজকি মনে পইরলো রে!

আরেক বন্ধুর সংলাপ আরেকজন শোনে। ছেলেদের মধ্যে স্যারের স্মৃতি মেলে ওঠে। সাদা কাফনে জড়ানো স্যারের স্মৃতি তারা মুখস্থ পড়ার মতো বলে যায়।

—জানিসি তো আমার মাথাত গোবর। স্যার কৌলো সকালে আসিস— পড়াবনি তোক।

এভাবেই তারা বলতে থাকে। এখনি তো এসব বলার সময়। এখনো তাদের চোখের অন্তরাল হয়নি স্যারের শুষ্ক পাঠকাঠি দেহ। কাফনের সাদা পৃষ্ঠা উল্টালে এখনো দেখা যায় দশ ঘরের নামতা। কালো পোড়া ঠোঁটের দিকে তাকালে এখনো কানে আসে ‘চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ’। তার কপালের কুঁচকানো ভঙ্গির দিকে চোখ ফেললে এখনো মনে হবে তিনি বলছেন, কী রে হাবলা, আজকেও হয়নি পড়া?

ছেলেদের আরও কত কী মনে পড়বে যখন তারা স্যারের জানাজায় দাঁড়াবে। জাতীয় সংগীতের সময় স্যার ত্যাড়াব্যাকা সারি দেখলেই হুংকার দিতেন— তাও মনে পড়ে যাবে। চোখের ফটকে ভেসে উঠবে তার কণ্ঠনালির উঁচু আপেলটা কী অসাধারণভাবে কাঁপত। তাকবির দিতে গিয়ে ছেলেদের কণ্ঠও মৃদুমন্দ কেঁপে উঠবে আর স্যার শুয়ে থেকে দেখবেন না— আবার হয়তো দেখবেন ছেলেরা কী সুন্দর পরিষ্কার পায়ে সারি সোজা করে দাঁড়িয়েছে। স্যারের লাশ পাশে রেখে এতদিন যারা স্যারের নিন্দা করেছেন তারাই বলবেন দুটি কথা। অমুক তমুক মেম্বার, সহকারী শিক্ষক, পরিষদগন বজ্রনিনাদ তুলবেন। ফতুয়াধারী মোল্লারা কবরের আজাবের বিবরণ দিতে গিয়ে কণ্ঠ ভারী করে তুলবেন। আবহ আর্দ্রতায় ডুবে যেতে থাকবে।

—জাতিগড়ার এই মহান কারিগরের জন্য আপনারা সবাই খাস দিলে দোয়া করবেন যেন আল্লাহপাক তাকে জান্নাতপর উচ্চ মাকাম দান করেন।

হয়তো তখন জীবিত দিনের নিন্দার মত সমস্বরে সবাই ‘আল্লাহ হুমামিন’ বলে উঠবে। আরও কত কী হবে তারপর। কত কথা হবে। আলোচনা সমালোচনা হবে কত— দিনের পর দিন। কারণ আমিন স্যার মারা গেছেন এবং বিদায়ী সাজসজ্জায় তাকে সাজানো হয়েছে। তার গোলাপ চারার শিশুগুলো খাটিয়ার পাশেই মনমরা হয়ে ঝুমছে। উঠানের পাশেই বকুল গাছ থেকে ফুলগুলো টুপটাপ পতনের সুর জপছে। স্যারের কোনো আত্মীয়ের হদিস পাড়ার লোকেরা জানে না। তাই লাশ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা বৃথা। মাইকে ঘোষণা হয়েছিল বিকাল তিনটা নাগাদ মাটি দেওয়া হবে। যারা এসেছিল তারা কিংবা তাদের দেখেই আরও যারা আসছে এ সংখ্যা পাড়ার লোকেরা গুনতে পারে না। সবাই ভিড় করছে খাটিয়ার ভেতর যে জ্ঞান বোদ্ধা শুয়ে যাবতীয় ক্লান্তির ঊর্ধ্বে চলে গিয়েছে তাকে শেষবার ভালো চোখে দেখি। সবাই তখন কিছুক্ষণের জন্য মৌমাছি হয়ে যায় আর আমিন স্যার ঢালসহ মধুর একটি পরিপূর্ণ চাক হয়ে ওঠেন। সে দলে বদর পাগলার আগমন পরিবেশটাতে আলাদা স্বাদের জোগান দেয়। বিস্ফোরিত চোখে সে ঘনঘন বলে যায়, গুরুজনেরে গাইল-মন্দ দুয়ার মতোই। আমার ছাওয়াল মরিচে ওয়ার নিজের বুকামিত। একেনে স্যারের তো দুষ নাই।

লোকেরা সবাই তখন বদর পাগলার কথার আসল মৌল পদার্থ ধরতে পারে। আজ কারও মনে কোনো ক্ষোভ নাই। এতদিনের অপ্রাপ্তির খাতা আজ যেন পূর্ণ হয়ে যাবে তাদের শ্রদ্ধায়। তার অবাধ্য ছেলেরাই আজ মুষড়ে পড়ছে। কেউ বলছে, আচ্ছা কতো বাহারুল স্যারের কেউ নাই ক্যা? কেউ থাকলি কত ভালো হলোনি তাই লায়?

বায়েজিদ বলে, কিডা কোইচে কেউ নাইকো? লোক দেখতিচু কত আয়চে? মেম্বারের বাপের জানজাত এত লোক দেখিছিলু? একুন আমরাও তো রইচি স্যারের।

—স্যারের জন্যি আমরা কি করব ক’তো সাহান?

—স্যারের কবরের উপর পাতাবাহার গাছ লাগা দিব আর স্যারের লাগানি গাচে আমরাও পানি দি যাব দৈনিক।

খাদেম বলে, আরেকটা কতা শুনেক, একুন থাইকি আমারে নামতা পারা লাগবি। যোগ বিয়োগ পারা লাগবি। লতুন স্যার আয়লে এক নিশে কওয়া লাগবি ‘চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ’।

তখন সবাই বলে, ভালো কতা কইছু তুই।

লোকের ভিড় ক্রমশই ভারী হয়ে উঠল। স্কুলের মাঠে জায়গা ধরবে কিনা জনতার দিকে লক্ষ করে পরিষদগণ সন্দেহ প্রকাশ করতে লাগলেন। মেম্বার সাহেব হাঁক দিলেন, আমরা সবাই ইছকুলের মাঠের দিকে যাই। এখনি আমিন স্যারের লাশ সেকেনে লেওয়া হবি।

তখন জনতার ঢল সারিবদ্ধ পিঁপড়ার মতো স্কুলের পথে হাঁটে। স্যারের খাটিয়া নেওয়ার জন্য তার প্রাক্তন ছাত্রেরা পজিশন নেয়। তবে লাশ উঠাতে গিয়ে ঘটে সব থেকে বড় বিপত্তি যার ফলে স্কুলগামী লোকেরা থমকে দাঁড়ায় মুহূর্ত কাল। স্যারের ফিনফিনে দেহের তুলনায় কাঠের খাটিয়ার ওজন যে বেশি হবে তা সবাই জানত। কিন্তু তাগড়াই চারজন কেন এই পাতলা অনড় একটি ফিনফিনে দেহের ভারে কাতরাতে থাকে লোকেরা তা তাৎক্ষণিকভাবে বুঝে উঠতে পারে না। অবস্থা বিবচনায় চারজনের পাশে আরও চারজন গিয়ে খাটিয়া কাঁধে ওঠায়। এরাই যে বর্ষায় দুই-তিন বোঝা পাট নিয়ে গাঙে ফেলে তখন তাদের বিশ্বাস হতে চাইছিল না। খাটিয়া নিয়ে তারা কাতরাতে থাকল। লোকেদের মনে হলো যে ওরা হাতির মতো ভারিক্কি পা টানতে পারছে না। স্যারের লাশ নিয়ে তারা টলতে লাগল আর ঘনঘন কাঁধ বদলাতে হলো। বহনকারী কেউ কিছু না বললেও লোকেরা তাদের মুখোভঙ্গি পড়ে দেখল তাতে লেখা, লাশ এতো ভারী হইলো ক্যা রে?

কেউ কোনো উত্তর জানে না কিংবা হয়তো জানে। এমন শুকনা একটি লাশ বহন করতে তারা হিমশিম খাচ্ছে লোকেরা তা সবই দেখেছে। সবার মনেই কেবল মনে হচ্ছে, লাশ এতো ভারী হইলো ক্যা রে?

কেউ কোনো উত্তর কষতে পারলো না। কেউ কোনো ধারণা দিতে পারল না। তাদের এই প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? কখন দেবে? বদর পাগলার ছেলের মতো স্কুল পাড়ার সবাই কি ঝুলে পড়বে এখন? সবাই মূর্তিবৎ থেমে ভাবছে শুধু।

—লাশ এতো ভারী হইলো ক্যা রে?

আমিন স্যারের চারাগাছগুলো শুধু বিড়বিড়িয়ে বলতে লাগল, চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ!

স্যারের মাঝে-মধ্যে উধাও হওয়ার বৃত্তান্ত জানা গেল আরও দুইদিন পরে। শহরের উকিল নোটিস মোতাবেক স্যার তার যাবতীয় সঞ্চয় স্কুলের নির্মাণকাজে উপহার দিয়ে গেছেন!

উৎসর্গ : শ্রদ্ধেয় বাবুল ও মজিদ স্যার। দুজনের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

 

Read Previous

মুদ্রিত দুঃখের ধারাপাতে

Read Next

শিল্প-সাহিত্যের অন্তর্জাল, অনুপ্রাণন, ৫ম সংখ্যা (অক্টোবর-২০২৩)

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *