অনুপ্রাণন, শিল্প-সাহিত্যের অন্তর্জাল এ আপনাকে স্বাগতম!
October 15, 2026
October 15, 2026

অনন্ত পৃথ্বীরাজ – কবিতাত্রয়ী

বিজনেস

শিস দিয়ে যাওয়া পথিকেরা বারবার একমুখী হয় না;

লোকাল ব্যবসায় বাণিজ্যিক হিসেব-নিকেশ কষতে হয়

দিনের শেষে মূলধন বাদে যা থাকে— তা হলো রক্তঘাম।

বাজার দেখে কাঁচামাল ক্রয় করে বাণিজ্য করো;

ঋতুর অমোঘ চক্রের আয়োজন ভালো নয়, ভালো নয়।

সততা সব কাজের সারথি; প্রেম অথবা ব্যবসায়,

‘ক্ষতি’ শব্দটির সাথে যার পরিচয় নেই, সে পরম সৌভাগ্যবান।

অনুস্বরের চিৎকার

সাদা সাদা ঢেউয়ের বিচ্ছুরণে চোখের ঘোমটা খোলে—

যুলক্বাদাহের গুমোট অন্ধকার, মেঘের পর্দায় আলো ছড়ায় বুস্তান সৈকত।

সুলতান কাবুস থেকে টেমসের ক্রজশিপে হুইসেল,

কানের পর্দায় বাজে চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙার আওয়াজ।

নকশীকাঁথায় মার্বেল সেলাই দিয়ে গড়া হয়েছে জায়নামাজের পয়ার;

ঐতিহ্যের কাটতি নেই; মিডলিস্টে হালাল কফিশপে চাহিদা বেড়েছে—

সুরা, সাকি আর গুল-এ-বাক-ওয়ালীর কীর্তিমান পণ্যের পসরা সাজিয়ে

পুঁজিবাদের পুতুল নাচে—

কিয়েভের কমেডিয়ান বিশ্ববিকের হৃদয়ে ট্র্যাজেডি রচনা করে।

ঘৃণা সমাচার

সবাই কি ভালোবাসতে পারে!

সবাই কি ভালোবাসতে জানে!

সবাই কি সবাইকে ভালোবাসে?

কেউ কেউ প্রেমে বলি হয়।

কেউ কেউ ভালোবাসে—

কেউ কেউ করে অভিনয়।

সমঝোতা করে চলা

সমঝোতা করে থাকা

আসলে তো ভালোবাসা নয়!

যেখানে ঘৃণা নেই, সেখানে ভালোবাসার জন্ম হয় না

যেখানে ভালোবাসা, সেখানেই থাকে রাগ-অভিমান।

ভালোবাসা মরে গেলে, একদিন ঘৃণাও মরে যায়!

 

Read Previous

রূপান্তরের গল্পগাথায় কঠিন বাস্তবের আবরণে অতলান্ত বিষাদ

Read Next

রুদ্র সুশান্ত – যুগল কবিতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *