পার্থ প্রতিম দে -
মালাউন
পৌষের সকালে মিহি রোদ ঝরছে। শীত আসি আসি বলে বায়না করছে অবাধ্য কন্যার মতোন। যেকোনো সময় এসে কুয়াশার চাদরে মুড়িয়ে দেবে নিশ্চয়। এমন সোনাঝরা ভোরে উমেশ বাবার সঙ্গে বসে গুরুপ্রণাম স্তব উচ্চারণ করছে, “ওঁ অজ্ঞান
Read Moreপৌষের সকালে মিহি রোদ ঝরছে। শীত আসি আসি বলে বায়না করছে অবাধ্য কন্যার মতোন। যেকোনো সময় এসে কুয়াশার চাদরে মুড়িয়ে দেবে নিশ্চয়। এমন সোনাঝরা ভোরে উমেশ বাবার সঙ্গে বসে গুরুপ্রণাম স্তব উচ্চারণ করছে, “ওঁ অজ্ঞান
Read Moreমূল্যবান আর মূল্যহীন। কথা দুটো শুনতে সাধারণ হলেও, এর মর্মার্থ কিন্তু অনেক। আজ কোনো ব্যক্তি বা বস্তু তোমার কাছে অনেক দামি অনেক কাছের অনেক মূল্যবান। হয়তো এক সময় তাই তোমার কাছে হয়ে পড়বে অপ্রিয় অযত্নের
Read More“দাদুভাই, আমার হাতখানা একটু ধরবে? সিঁড়িটা বড্ড অন্ধকার।” “হ্যাঁ দাদু, ধরুন আমার হাত।” বলে হাতখানা বাড়ালাম। একটি শীর্ণ, জরাগ্রস্ত হাত আমার দিকে এগিয়ে এল। দেখলাম খুব বৃদ্ধ এক ব্যক্তি, চোখে চশমা, পরনে লুঙ্গি ও সাদা
Read Moreবলগা বলগা ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে মোটরসাইকেল চলছে। সরু কাঁচা মাটির ঢিলানো রাস্তা। একটা বিষণ্ন মোটরসাইকেলের পিঠে ওরা দুজন। চৈত্রের দগ্ধ দুপুরে গল্প তেমন আগায় না। প্রসঙ্গ ওঠে আর নামে। আলতাফ অযথা পিপপিপায়। খটখটে গলায় যতটুকু রসবোধ
Read More(দৃশ্যপট : গভীর রাত, দুই মাতাল ও এক ধার্মিক যুবক গ্রামের রাস্তায় হেঁটে যেতে যেতে কথোপকথনে লিপ্ত।) ধার্মিক : ফাটিয়ে দিয়েছে মাইরি; বাহ বাহ! মাতাল এক : ইশ! কে ফাটাল? কার ফাটাল? কপাল ফেটেছে বুঝি?
Read Moreআমি যে গল্পটা বলছি, সেটা উনিশশ’ আটানব্বই সালের মাঝামাঝির গল্প। তখন আমি অকল্যান্ড শহরে বসবাস করি। একেবারে বেকার। এরই মধ্যে গাড়ি নেই। এক্সিডেন্ট করে রাইটঅফ হয়ে গেছে। কিন্তু ভাগ্য ভালো, অকল্যান্ডে আসার কিছুদিন পর সিটির
Read More