
সম্মোহিত শাব্দিক আভা বিকশিত হওয়ার আগে
শৈশবে মরে গেলো বেরসিক কামদীপ্ত ইন্দ্র।
উন্নাসিক আর্যপুত্রগণ, উদ্বাহু হও—
মাকড়সার রাশ টেনে উন্মোচিত হয়ে যাক
হস্তিনাপুরের প্রত্নপথ।
ভাড়াতে প্রেমে জলাঞ্জলি দেওয়া গেলো বালুঘড়ি—
প্রতিবেশী নাগরের ডাগর যৌবন
বনবন করে ঘোরে বাদলের সুষম হাওয়ায়।
বৈকালিক শীত-ভ্রমণ শেষে
মৌন ভিক্ষুর মতো মুখ গুঁজে হেঁটে গেছে পথ।
পতপত মনোরাজ্যে বৈজয়ন্তী নাচে;
সম্রাজ্ঞী ভিনদেশী মেঘ!