
ভূপাতিত হই এইসব দেখে
যুদ্ধ ফুরালে বেকুব হয়ে বসে থাকি — মুঠোফোন হাতে,
স্ক্রিনে তাকিয়ে নিরাশার আভা টের পাই;
রোজ রাত্তিরে যুদ্ধ যুদ্ধ দেখতে দেখতে মিসাইল আর ধ্বংসের উত্তেজনা জাপ্টে ঘুমাই,
এই বেঁচে থাকা : পুদিনার ঝোপে জল দিতে দিতে অনেকের মৃত্যু গুনে গুনে হামাগুড়ি খায়;
অথচ যার ঘর উড়ে গেলো, সন্তান মরে গেলো নিমিষেই, তাকে আমি দেখিনি কখনো ; তার যন্ত্রণা টের পাই কিংবা পাই না হাওয়ায় গোত্তা খেতে থাকা বিমানকে দেখার উত্তেজনায়!
নিজেকে জেতাতে অন্যের অপচয় দেখি, পতনের কামনায় নিজেকে হত্যা করতেও সাধ হয়, যদি আমার রক্তদানে দুনিয়ায় যুদ্ধ ফুরায়।
রাজা শুধু রঙ বদলায়, ঘরে ঘরে মৃত্যু আর শিশুদের ক্রন্দন, তবু চোখবুঁজে বেশরম রাজা যায় সিনেমা হলের অবসরে!
তাই,
নিজেকে প্রবোধ দিতে ভোরে উঠে স্নান করাই নিজেকে নিজের হাতে,তারপর খাটিয়ায় রেখে নিজেকে নিজেই বলি : তুমি বেঁচে আছো দুঃখের দুশমন হয়ে!
—–
৮ এপ্রিল ২৬

রোমেল রহমান।
কবি, কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
