
শফিক হাসান
‘সৃষ্টিতে অনুপ্রাণিত’ স্লোগান ধারণ করে অনুপ্রাণন প্রকাশন পাড়ি দিয়েছে দীর্ঘ যুগপরিক্রমা। সময় বিবর্তনের সঙ্গে বাড়ছে এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের জৌলুস ও পরিধি। গত সোমবার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ বিকালে অনুপ্রাণনের চট্টগ্রাম শাখার উদ্বোধন করা হয়। চেরাগী পাহাড় লাগোয়া মোমিন রোডে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান শেষপর্যন্ত সাহিত্য আড্ডায় রূপ নেয়।
উপস্থিত ছিলেন অনুপ্রাণন প্রকাশক ও সম্পাদক আবু এম ইউসুফ, কবি ও আদিবাসী চিন্তক হাফিজ রশিদ খান, লেখক ও অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ, নাট্যজন প্রদীপ দেওয়ানজী, কবি ও অধ্যাপক রেজাউল করিম, লেখক ও অধ্যাপক ড. ফরিদ ফারুক, চিকিৎসক ও প্রাবন্ধিক পীযুষ কান্তি বড়ুয়া, কবি আখতারী ইসলাম, কথাসাহিত্যিক শোয়ায়েব মুহামদ, কবি ও প্রকাশক আলী প্রয়াস, কথাসাহিত্যিক সোহেল মাহরুফ, কবি চন্দনা ভট্টাচার্য, সম্পাদক ও প্রকাশক কর্মধন তঞ্চঙ্গা, কথাসাহিত্যিক আহমদ জসিম, লেখক ও গবেষক সৈয়দ মনজুর মোরশেদ।

মহীবুল আজিজ অনুপ্রাণনের যাবতীয় কর্মযজ্ঞ সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল বলে জানান। অনুপ্রাণনের প্রসঙ্গ ও কর্মবহুলতা উল্লেখ করে তিনি ষাটের দশকে ঢাকার সমান্তরালে শুরু হওয়া সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা ‘বইঘর’-এর বিষয়ও উল্লেখ করেন। ‘বইঘর’-এর প্রকাশক সৈয়দ মুহাম্মদ শফীকে নিয়ে তিনি স্মৃতিচারণ করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন শেষপর্যন্ত বই ছাড়া মানুষের মুক্তি নেই। কাঙ্ক্ষিত সুফলের জন্য মুদ্রিত বইয়ের কাছেই ফিরতে হবে বারবার। বুঁদ হতে হবে কালো কোমল-কঠোর অক্ষরে। অতিথিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিল্প-সাহিত্যের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ⸺ অনুভূতি ও মতামত ব্যক্ত করেন।
অনুপ্রাণন সম্পাদক ও প্রকাশক আড্ডায় অংশগ্রহণকারী সবাইকে অনুপ্রাণনের পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান। অনুপ্রাণনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পথচলার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। অনুপ্রাণন প্রকাশক আবু এম ইউসুফ আরও জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে অনুপ্রাণন প্রকাশন রাজশাহী শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী বিভাগের অনুপ্রাণনের লেখক ও বরেণ্য ব্যক্তিরা।
